ডিজিটাল প্রযুক্তি | ৭ম শ্রেণি | ২য় অধ্যায় | সংক্ষিপ্ত
প্রশ্ন-১. মেধাস্বত্ব কী?
উত্তর: বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংরক্ষণের আইনি অধিকার হলো মেধাস্বত্ব। কোনো মৌলিক সৃষ্টিকর্মের অপব্যবহার রোধ করতে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ করা হয়।
প্রশ্ন-২. পেটেন্ট কী?
উত্তর: পেটেন্ট হলো উদ্ভাবকের একচেটিয়া অধিকার। পেটেন্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের মেধাসত্ব সংরক্ষণ করে।
প্রশ্ন-৩. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বাংলাদেশ কততম সদস্য?
উত্তর: বাংলাদেশ সংস্থাটির ২৮ তম সদস্য।
প্রশ্ন-৪. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ কী?
উত্তর: মানুষ তার চিন্তা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে যখন কোনো সম্পদ তৈরি করে এবং তা সমাজ ও সমাজের মানুষের উপকারের জন্য কোথাও প্রকাশ করে, তখন তাকে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বলে।
প্রশ্ন-৫. আইনি সিদ্ধান্ত কী?
উত্তর: আইন দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাকে আইনি সিদ্ধান্ত বলে।
প্রশ্ন ৬. চূড়ান্ত রায় কী?
উত্তর: আদালতে উত্থাপিত কোন বিষয়ের সমস্যা সমাধানের জন্য আদালত পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে সর্বশেষ যে রায় প্রদান করে, তাকেই চূড়ান্ত রায় বলে।
প্রশ্ন-৭. মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী?
উত্তর: সে সফটওয়্যার ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের পরিবর্তে স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের মতো ছোট, তারবিহীন কম্পিউটিং ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়, তাকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে।
প্রশ্ন-৮. ইলেকট্রনিক ডিভাইস কী?
উত্তর: যে সকল ডিভাইসের অপারেশন ইলেকট্রন প্রবাহ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাদের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বলে।
প্রশ্ন-৯. কয়েকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নাম লিখ।
উত্তর: রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেডিও, টেলিভিশন, স্মার্টফোন, ক্যামেরা, ট্যাবলেট ইত্যাদি।
প্রশ্ন-১০. স্বত্বাধিকারী কী?
উত্তর: যিনি নিজের মেধা, চিন্তা, দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা দিয়ে কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ তৈরি করেন তিনিই স্বত্বাধিকারী।
প্রশ্ন-১১. ট্রেডমার্ক নিবন্ধন কী?
উত্তর: কোন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের স্বতন্ত্র প্রতীক, লোগো, স্লোগান ইত্যাদি স্বত্বাধিকারী হওয়ার প্রক্রিয়াকে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বলে।
.jpeg)
Comments
Post a Comment