পশুরা মানুষের কাছাকাছি আসছে, অথচ মানুষগুলো পশু হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের কাছাকাছি সময়ে মিশরজুড়ে বসবাস করা বিড়ালেরা ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্বভাবে শান্ত-শিষ্ট ও সামাজিক হওয়ায় দ্রুতই মানুষের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে এরা। এরাও ফার্টাইল ক্রিসেন্টের বিড়ালদের মতো নিজেরাই ইঁদুরের খোঁজে জনবসতির আশপাশে ঘুরে বেড়াত।
গত নয় হাজার বছরে মিশর, রোমানিয়া ও আফ্রিকায় বসবাস করা দুইশোর অধিক বিড়ালের দেহাবশেষ ও মমির ডিএনএ পরীক্ষা করে এরকম বেশ চমকপ্রদ কিছু তথ্য পান বিজ্ঞানীরা। প্রাপ্ত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে গবেষকরা অভিমত দেন, পোষা প্রাণী হিসেবে মানুষ বিড়ালকে গ্রহণ করার বহু আগেই জেনেটিক পরিবর্তনের কারণে বন্য বিড়ালেরা ধীরে ধীরে নম্র ও সামাজিক হয়ে ওঠে। একারণেই তারা হয়ে ওঠে পোষ মানানোর উপযোগী ও পরবর্তীতে মানুষের সার্বক্ষণিক সঙ্গী। এছাড়া ইঁদুর ধরায় পারদর্শী ছিল বলে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে খুব একটা বেগ পেতে হয়েনি তাদের। অন্যান্য পোষা প্রাণী; যেমন কুকুর, গরু, ভেড়া ইত্যাদি পশুকে মানুষ বেছে বেছে পোষ মানিয়েছিল দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে। অন্যদিকে বিড়াল নিজেরাই নিজেদের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন করে পরিণত হয় মানুষের সবচেয়ে প্রিয় পোষা প্রাণীতে।
Muhaimenul Islam Nafees
Team Science Bee

Comments
Post a Comment